May 27, 2024 6:34 pm

১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

May 27, 2024 6:34 pm

১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

Ssc recruitment corruption case. conclude: এসএসসি, সিবিআই ও বিতর্কিত চাকরিপ্রার্থী, আদালত কার কথা বিশ্বাস করবে? নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় প্রশ্ন ডিভিশন বেঞ্চের।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest
Pocket
WhatsApp

SSC, CBI and controversial job seekers, who will the court believe? Question of Division Bench in recruitment corruption case.

রাজ্য

দ্যা হোয়াইট বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক:

অবশেষে শেষ হল এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি। রায়দান স্থগিত রাখলেন হাইকোর্টের
বিশেষ বেঞ্চের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও
বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চ।গত ৫ ই ডিসেম্বর থেকে শুরু হয় শুনানি। প্রায় সাড়ে তিনমাস চলল হাই কোর্টের বিশেষ বেঞ্চে নিয়মিত মামলার শুনানি চলছিল যা শেষ হলো বুধবার। সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়ের আগেই শুনানি শেষ হল । তবে রায়দান ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। শেষ বেলায় নিয়োগের দুর্নীতি নিয়ে বিচারপতি বসাকের পর্যবেক্ষণ”সমস্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করতে পারি!OMR যাচাই করে নিয়োগের পুনর্মূল্যায়ন করতে পারি। এবং সমস্ত মামলা গুলো খারিজ করে দিতে পারি”এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন হাইকোর্টের আইনজীবী মহলের একাংশ।

এসএসসি-র নিয়োগ দুর্নীতির মামলার শুনানি শেষ বেলায় মেধা তালিকায় শীর্ষে থাকা সত্বেও যাঁরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন সেই সকল চাকরি প্রার্থীদের পক্ষের আইনজীবী আশীষ কুমার চৌধুরীর মূল আবেদনই ছিল”নিয়োগ সংক্রান্ত রুল (rules) মানা হয়নি। সেক্ষেত্রে যদি নতুন করে মূল্যায়ণ হয় তাহলে সেই মূল্যায়ন অবশ্যই নিয়োগ সংক্রান্ত
রুল (rules) ফলো করলে বঞ্চিতরা চাকরি পেতে পারেন। চাকরি প্রাপকদের পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন
ঘোষিত শূন্যপদের থেকেও বেশি সংখ্যক ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হয়েছে।

সব পক্ষের আইনজীবীরা বলার পরেই বিচারপতি বসাকের পর্যবেক্ষণ, ‘‘এই নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে ভাল কিছু খুঁজে পাওয়া কঠিন। অতিরিক্ত নিয়োগ সরাসরি বাতিল হওয়া উচিত।’’ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, চাকরি প্রাপকদের আইনজীবী বলেন ঘোষিত শূন্যপদের থেকেও বেশি সংখ্যক ব্যক্তিকে নিয়োগ করা হয়েছে।এই অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। প্রশাসনিক স্তরে যে আধিকারিকরা যুক্ত তাদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ করা হোক। এই সব টাকা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক।এটা সুপরিকল্পিত অপরাধ।এই মামলার প্রেক্ষিতে আদালত যদি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ না নেয় তাহলে এই অপরাধপ্রবণতা কমবে না। অপরাধীরা এই ধরনের অপরাধ করতেই থাকবে।এই আদালত তো OMR দেখার সুযোগ দিয়েছিল। কজন এসে বলেছেন যে এই OMR আমার নয় ?

সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে জানিয়েছিল অতিরিক্ত নিয়োগের পরিসংখ্যানও প্রকাশ করেছেন। দেখা গিয়েছে, ২০১৬ সালে নবম-দশমের শিক্ষক নিয়োগে কমিশনের তরফে ১১ হাজার ৪২৫ জনের নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছিল। পর্ষদ মোট ১২ হাজার ৯৬৪টি নিয়োগপত্র দেয়। অর্থাৎ, ১৫৩৯ জনের নিয়োগ বাড়তি। একই ভাবে ওই বছর একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ ছিল ৫,৫৫৭ জনের।

বাগ কমিটির রিপোরটের উল্লেখ করা হয়েছিল নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে ৫,৭৫৬ জনকে। বাড়তি নিয়োগ হয়েছে ১৯৯ জনের। গ্রুপ ডি কর্মীদের ক্ষেত্রে ৩,৮৮১ জনের নিয়োগের সুপারিশ করেছিল এসএসসি। পর্ষদ ৪৫৫০ জনকে নিয়োগপত্র দেয়। ৬৬৯ জনকে অতিরিক্ত নিয়োগ করা হয়। ওই বছর ২,০৬৭ জন গ্রুপ সি কর্মীর নিয়োগ সুপারিশ করেছিল কমিশন। নিয়োগপত্র পান ২,৪৮৩ জন। অর্থাৎ, বাড়তি নিয়োগ হয় ৪১৬ জনের।

বিতর্কিত চাকরি প্রাপকদের আইনজীবী প্রমিত রায় বলেন এসএসসি এবং CBI, কেউই বিশ্বাসযোগ্য নয়।বিচারপতি এসএসসি, সিবিআই এবং বিতর্কিত চাকরি প্রাপকদের আইনজীবীর উদ্দেশ্যে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের মন্তব্য “তাহলে কার ওপর আমরা বিশ্বাস করব ?”আইনজীবী প্রমিত রায় উত্তরে জানায় আদালত নিজের স্বতন্ত্র সিদ্ধান্তের ওপর বিশ্বাস রাখুক।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest
Pocket
WhatsApp

Related News

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top