June 18, 2024 10:48 am

৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

June 18, 2024 10:48 am

৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

High Court Calcutta stop the illegal business:খাতায় কলমে ছিল মিষ্টির দোকান। বাস্তবে তা হয়ে গেল কচি পাঁঠার মাংস ,মাছ প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র!

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest
Pocket
WhatsApp

There was a sweet shop in the book. In fact, it became a lamb, fish processing center!The police has been ordered to take action to stop the illegal business immediately.

রাজ্য

দ্যা হোয়াইট বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক:

শহর কলকাতা একটি নামজাদা অ্যাপ ভিত্তিক মাংস সরবরাহকারী সংস্থার ভিত্তিতে অবৈধভাবে লাইসেন্স বার করে কারবার চালানোর অভিযোগ মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ শুনে যারপরনাই ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট অবিলম্বে ওই অবৈধ কারবার বন্ধ করতে পুলিসকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে কীভাবে ওই সংস্থাটি একটি আবাসনে (রেসিডেনসিয়াল কমপ্লেক্সে) কারবার চালানোর অবৈধ লাইসেন্স পেল তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।
নিউটাউন কলকাতা ডেভলপমেন্ট অথরিটির (এনকেডিএ) আওতাভুক্ত নিউটাউন এলাকায় আবাসন হিসাবে নথিভুক্ত একটি বিল্ডিংয়ে মিষ্টির দোকান চালানোর নামে সংস্থাটি ও অবৈধ লাইসেন্স পেয়েছিল বলে অভিযোগ। এরপর নিউটাউনের ‘দেবনিষ্ঠা’ নামক ওই আবাসনের নিচ তলায় মাছ, মাংস প্রক্রিয়াকরণের ওই কারবার ফেদে বসেছিল অ্যাপ ভিত্তিক সংস্থাটি। বিষয়টি নিয়ে এনকেডিএ-এর কাছে অভিযোগ লিখিত জানান অবাসনের বাসিন্দারা। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হয়নি। এরপর তাঁরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।
বুধবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে মামলাটি শুনানির জন্য উঠলে মামলাকারীর আইজীবী অভিযোগ করেন, রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স হিসাবে নথিভুক্ত আবাসনটিতে প্রত্যহ ৬০কেভি ডিজেল জেনারেটর চালিয়ে মাংস প্রক্রিয়াকরণের কারবার চলছে। অভিযোগ শুনেই বিচারপতি প্রশ্ন করেন, একটি রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সে কীভাবে কারবার চালানোর অনুমতি দেওয়া হল? এই প্রশ্নের উত্তরে এনকেডিএর তরফে উপস্থিত আইনজীবী জানান, প্রাথমিকভাবে মিষ্টির দোকান চালানোর জন্য ট্রেড লাইসেন্স দেওয়া হলেও পরো তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। আইনজীবীর এই জবাবে অবশ্য সন্তুষ্ট হতে পারেননি বিচারপতি। তিনি বলেন, ‘প্রত্যাহার করার বিষয়টি পরে আসছে। আগে এটা বলুন কীভাবে আবাসন হিসাবে নথিভুক্ত একটি বিল্ডিংয়ে ব্যবসায়ীক কার্যবিধি চালানোর অনুমতি দেওয়া হল?’ এই প্রশ্নের অবশ্য উপযুক্ত জবাবা দিতে পারেননি এনকেডিএ-র আইনজীবী। তিনি জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকা পরিদর্শনের পর গত বছর ১৯ সেপ্টেম্বর ওই লাইসেন্স প্রত্যাহার করা হয়েছে। এবং জেনারেটরের ব্যবহার বন্ধ করা হয়েছে। কিন্তু মামলাকারীর আইনজীবী পাল্টা দাবি করেন, ‘এখনও রমরমিয়ে ওই কারবার চলছে।’
এরপরই বিচারপতি সিনহা নির্দেশে জানিয়ে দেন, অবিলম্বে ওই বিল্ডিংয়ের ওই অংশের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। সেইসঙ্গে ওই বিল্ডিংয়ে যাতে কোনওরকম ব্যবসায়িক কার্যবিধি না হয় তা নিউটাউন থানাকে নিশ্চিত করতে হবে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest
Pocket
WhatsApp

Related News

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top