June 17, 2024 5:13 am

৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

June 17, 2024 5:13 am

৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

Hc sandeshkhali: শর্ত মেনে সন্দেশখলি তে যাওয়ার অনুমতি শুভেন্দু-শঙ্করকে, সিঙ্গেল বেঞ্চের পরও ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা রাজ্যের।রাজ্যের চ্যালেঞ্জ খারিজ প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest
Pocket
WhatsApp

The State’s challenge is dismissed. The division bench of the Chief Justice upheld the order of the single bench. Subhendu-Shankar should go to Sandeshkhali according to the conditions of the single bench.

রাজ্য

দ্যা হোয়াইট বাংলা ডিজিটাল ডেস্ক:

সিঙ্গেল বেঞ্চের পরও ডিভিশন বেঞ্চে জোর ধাক্কা খেলো রাজ্য সরকার। শুভেন্দু অধিকারী এবং শংকরকে অবিলম্বে সন্দেশখালি গ্রাম পঞ্চায়েতে যাওয়ার ছাড়পত্র দিয়েছে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গেল বেঞ্চের সমস্ত নির্দেশ মেনে বিরোধী দলনেতা এবং এক বিধায়ককে সন্দেশখালিতে যাওয়ার ছাড়পত্র। হাইকোর্টের অর্ডার আপলোড না হলেও এডভোকেট জেনারেল অবিলম্বে বসিরহাটের পুলিশ সুপারকে হাইকোর্টের নির্দেশের কথা জানাবেন এবং এই নির্দেশ এখনই কার্যকর করে শুভেন্দুদের তাদের ব্যক্তিগত রক্ষিসহ সন্দেশখালিতে প্রবেশ করতে দিতে হবে বলে জানিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

শুভেন্দু অধিকারীর সন্দেশখালি নিয়ে বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতি ডিভিসন্মেন্ট যে দ্বারস্থ রাজ্য সরকার।১৪৪ ধারা ৭ দিনের জন্য স্থগিত করে শুভেন্দু অধিকারীকে সন্দেশখালি যাওয়ার ছাড়পত্র দেওয়ার সিঙ্গল বেঞ্চের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করল রাজ্য। বিচারপতি কৌশিক চন্দের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে আবেদন রাজ্যের। আবেদন জানান অ্যাডভোকট জেনারেল কিশোর দত্ত।

প্রধান বিচারপতি রাজ্যের অ্যাডভোেট জেনারেলের উদ্দেশ্যে যদি কোন মিটিং মিছিল না করে ,, অনুগমিদের না নিয়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি যদি যান তাহলে অসুবিধ কোথায়?

অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত জানান তারা যেতেই পরেন। কিন্তু ১৪৪ ধারা বজায় রাখা উচিত। আমরা এই জায়গাটার বিরোধিতা করছি ।

আপাতত ধামাখালিতে শুভেন্দু-শঙ্করকে আটকানো হয়েছে। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিসন বেঞ্চে আপীল করা হয়েছে এই কথা জানিয়ে আটকানো হয়েছে বিরোধী দলনেতাকে। যদিও ধামাখালিতে কোনো ১৪৪ ধারা জারি নেই।

প্রধান বিচারপতি: সন্দেশখলিতে জোর করে কৃষিজমি দখল করার অভিযোগ, আইন শৃংখলার অবনতি হচ্ছে, আরও গুরুত্বপূর্ণ মূল অভিজুক্ত এখনো অধরা। ১৮দিনের বেশি হয়ে গেছে এই পরিস্থিতি চলছে। ১৪৪ ধারা জারি করেও কোন লভ হচ্ছে না।

Facebook
Twitter
LinkedIn
Pinterest
Pocket
WhatsApp

Related News

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top